সূত্র : বাংলাদেশের নদনদীর নামকরণ, ড. মোহাম্মদ আমীন, পুথিনিলয়, বাংলা বাজার, ঢাকা।আঠারোবাঁকি নদীর নামকরণ
আঠারোবাঁকি নদী বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের খুলনা ও নড়াইল জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী। আঠারো ও বাঁক শব্দের মিলনে আঠারোবাঁকি নামের উদ্ভব। মধুমতি বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত নদী। এ নদী নড়াইল ও গোপালগঞ্জ জেলাকে বিচ্ছিন্ন করে অবিচ্ছিন্ন করেছে জলের টানে, পলির প্রাণে আর কৃষকের গানে। মধুমতি নদী কালিয়া উপজেলার দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে সিংগাতি গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত। এ গ্রামের দক্ষিণ দিকে একটি শাখা নদী প্রবাহিত। এর নাম আঠারোবাঁকি নদী। আঠারোটি বাঁকে নদীটি প্রবাহিত হয়। তাই এর নাম আঠারোবাঁকি নদী। আসলে বাঁক প্রকৃতপক্ষে আঠারো নাকি তার বেশি বা কম সেটি বড় কথা নয়। তৎকালে নদীটির পরিচিত আঠারোটি বাঁক ছিল। আলাইপুর এ নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রসিদ্ধ স্থান। আলাউদ্দিন হুসেন শাহের বাল্যজীবন আলাইপুরে কেটেছে। এ গ্রামের কাজীবাড়ি ছিল তার শ্বশুর বাড়ি।
মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬
আঠারোবাঁকি নদীর নামকরণ / ড. মোহাম্মদ আমীন
নীলফামারী : আউলিয়াখানা নদীর নামকরণ / ড. মোাহাম্মদ আমীন
আউলিয়াখানা নদী
নীলফামারী অঞ্চলে আউলিয়াখানা একটি বিখ্যাত নদী। এ নদীকে নিয়ে রয়েছে বহু কিংবদন্তী এবং মানুষের সুখ-দুঃখের কাহিনি। বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীর নাম ভারতীয় পুরাণ ও হিন্দু দেবদেবীদের নাম হতে গৃহীত।মুসলিম নাম হতে নামায়িত বাংলাদেশের নদীসমূহের মধ্যে ‘আউলিয়াখানা’ অন্যতম। নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলায় উৎপন্ন হয়ে, নদীটি একই জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার ঘাঘট নদীতে মিলিত হয়েছে। কথিত হয়, জলঢাকা উপজেলায় নদীটির প্রবেশমুখে ত্রয়োদশ শতকের প্রারম্ভে আরব দেশে হতে আগত একজন আউলিয়া একটি খানা বা আস্তানা বা বাড়ি গড়ে তুলেছিলেন। একবার প্রবল বন্যায় সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে যায়। লোকজন আউলিয়ার কাছে সাহায্য চাইতে গেলে তিনি নদীকে বলেন : এখানে আমার খানা, তুমি এদিকে এস না। নদীর জল তখন শান্ত হয়ে যায় এবং আউলিয়া সাহেবের খানা বা বাড়ি ও সংলগ্ন গ্রাম বন্যা হতে রক্ষা পায়। এরপর হতে নদীটির নাম হয় আউলিয়াখানা। আবার অনেকের মতে, আউলিয়া সাহেবের খানায় প্রতিদিন বহুলোক খানা বা খাদ্য খেতেন। যার অধিকাংশ এ নদী হতে কিংবা এ নদী পথ দিয়ে আসত। নদীর পাশে আউলিয়ার খানা ছিল তাই নদীটির নাম হয় আউলিয়াখানা।
সূত্র : বাংলাদেশের জেলা উপজেলা ও নদ নদীর নামকরণের ইতিহাস।
পটুয়াখালী : আগুনমুখা নদীর নামকরণ / ড. মোহাম্মদ আমীন
আগুনমুখা নদী
পটুযাখালী অঞ্চলে আগুনমুখা খুব ভয়ঙ্কর নদী নামে পরিচিত। নামটিও ভয়ঙ্কর। তবে এ নদীর নাম যেমন ভয়ঙ্কর তার আচরণ ও চলার পথ তেমন ভয়ঙ্কর নয়। এটি বাংলার মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ‘আগুন’ ও ‘মুখা’ শব্দের মিলনে আগুনমুখা নামের উদ্ভব। আগুন শব্দের অর্থ অগ্নি এবং মুখা শব্দের অর্থ মুখমণ্ডল, অবয়ব বা রূপ। সুতরাং ‘আগুনমুখা’ শব্দের আগুনের মতো যার মুখ বা অগ্নির মতো যার রূপ বা অবয়ব। চরকাজল ও রতনদি-তালতলি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে তেঁতুলিয়া নদী গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলায় প্রবেশ করে। তেঁতুলিয়ার নিম্নাংশ কাজল নদী এবং চরকাজলের পশ্চিম অংশ থেকে তেঁতুলিয়া নদীর একটি শাখা আগুনমুখা নাম ধারণ করে। বাকি অংশ:গবেষণা, প্রাতিষ্ঠানিক অধ্যয়ন, মাতৃভাষা জ্ঞান, প্রাত্যহিক প্রয়োজন, শুদ্ধ বানান চর্চা এবং বিসিএস-সহ যে-কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অতি প্রয়োজনীয় কয়েকটি লিংক :
শুবাচ লিংক
নাটোর জেলার নামকরণ
চকরিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য
মানিকগঞ্জ জেলার নামকরণ ও ঐতিহ্য
হাতিয়া উপজেলার নামকরণ ইতিহাস ও ঐতিহ্য
রংপুর : আখিরা নদী / ড. মোহাম্মদ আমীন
আখিরা নদী
রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত নদী আখিরা। প্রাচীনকাল হতে এটি এলাকাবাসীর প্রাত্যহিক জীবনের নানা ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হয়ে আছে। নদীটি রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার চৌদ্দভূবন বিল হতে সৃষ্ট হয়ে পীরগঞ্জ, পলাশবাড়ি পেড়িয়ে ঘোড়াঘাট পৌছেছে। চলার পথে এটি কারও করেছে কল্যাণ আবার কারও করেছে অকল্যাণ। তবে শুকনো মৌসুমে এ নদীর জলই ছিল এলাকাবাসীর ফসলের উৎস, নিজেদের জীবিকার অন্যতম ভিত্তি। নদীটি ঘোড়াঘাটে এসে করতোয়া ও বাঙালি নদীতে আখিরা নদী নামে মিলিত হয়েছে। আখি শব্দের অর্থ চোখ। আখির মতো স্বচ্ছ জলের জন্য নদীটির নাম হয় আখিরা নদী। আবার অনেকের মতে আখের মানে চিরন্তন বা শেষ। নদীটি সতত প্রবাহমান এবং কোনোদিন এর শেষ হবে না- এমন ধারণা থেকে নদীটির নাম হয় ‘আখিরা’। আর একটি প্রবাদ বলে, আসলে পাখিরা হতে নদীটির নাম হয় আখিরা। এ নদীর উভয় তীরে প্রচুর পাখি থাকত। পাখিরা সারা বছর নদীকে কোলাহলমূখর করে রাখত। তাই এর নাম পাখিরা, যার আঞ্চলিক অপভ্রংশ আখিরা।
সূ্ত্র : নদ নদীর নামকরণ : ড. মোহাম্মদ আমীন, পুথিনিলয়, বাংলা বাজার, ঢাকা।
সাতক্ষীরা : অর্পণগাছিয়া নদীর নামকরণ / ড. মোহাম্মদ আমীন
অর্পণগাছিয়া নদী
অর্পণগাছিয়া বাংলাদেশের একটি বহুল পরিচিত নদী। সাতক্ষীরা অঞ্চলের আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে একসময় নদীটির ব্যাপক প্রভাব ছিল। সাতক্ষীরা জেলার মধ্য দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত নদীটি সুন্দরবনের মধ্যে প্রবেশের পর দীর্ঘপথ অতিক্রম করে অর্পণগাছিয়া নাম ধারণ করেছে। অর্পণ আর গাছ শব্দের সমন্বয়ে ঘটিত হয়েছে অর্পণগাছিয়া। অর্পণ অর্থ প্রদান বা বিসর্জন এবং গাছিয়া অর্থ গাছপালা, ভূমি প্রভৃতি। কথিত হয়, সুন্দরবন তার প্রচুর গাছপালা ও ভূমি অর্পণ বা বিসর্জন দিয়ে নদীর চলার পথকে সুগম করেছে। এজন্য নদীটির নাম হয়েছে অর্পণগাছিয়া। অর্পণগাছিয়া নদী মালঞ্চ নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
সূত্র : বাংলাদেশের জেলা উপজেলা ও নদ নদীর নামকরণের ইতিহাস।
নাটোর জেলার নামকরণ / ড. মোহাম্মদ আমীন
আত্রাই, গুড়, গুড়হানি, নন্দকুজা, বারনই, বড়াল, খালসা, ডিঙ্গি, গঙ্গা, নাগর ও গুমানী নদী বিধৌত নাটোর কিংবদন্তিময় একটি চমৎকার ভূখণ্ড। এ জেলার নামকরণ নিয়ে বিভিন্ন প্রবাদ প্রচলিত আছে। অনেকে মনে করেন, নাতর শব্দ হতে নাটোর শব্দের উদ্ভব। না অর্থ সম্ভব নয়, আর তর অর্থ গমন। আলোচ্য ভূখণ্ডটি ছিল নিচু এলাকা।
অধিকাংশ সময় পানিতে ডুবে থাকতো। তাই পায়ে হেটে চলাচল করা যেতো না। পায়ে হেটে গমন করা সম্ভব ছিল না বলে এলাকাটির নাম হয় না-তর। যার অপভ্রংশ নাটোর। আবার অনেকে মনে করেন, এ এলাকার পাশ দিয়ে এককালে নারদ নদী প্রবাহমান ছিল। নারদ নদীর পাশে লোকালয়টি গড়ে উঠেছিল। তাই এর নাম হয় নারদ। পরবর্তীকালে আঞ্চলিক উচ্চারণ, বিকৃতি, আড়ষ্ঠতা ও প্রায়াগিক ভিন্নতার কারণে নারদ শব্দ নাদর রূপে উচ্চারিত হতে থাকে। এরপর নাদর হতে নাতর, নাতর হতে নাটোর নামে স্থিতি পায়।
অধিকাংশ সময় পানিতে ডুবে থাকতো। তাই পায়ে হেটে চলাচল করা যেতো না। পায়ে হেটে গমন করা সম্ভব ছিল না বলে এলাকাটির নাম হয় না-তর। যার অপভ্রংশ নাটোর। আবার অনেকে মনে করেন, এ এলাকার পাশ দিয়ে এককালে নারদ নদী প্রবাহমান ছিল। নারদ নদীর পাশে লোকালয়টি গড়ে উঠেছিল। তাই এর নাম হয় নারদ। পরবর্তীকালে আঞ্চলিক উচ্চারণ, বিকৃতি, আড়ষ্ঠতা ও প্রায়াগিক ভিন্নতার কারণে নারদ শব্দ নাদর রূপে উচ্চারিত হতে থাকে। এরপর নাদর হতে নাতর, নাতর হতে নাটোর নামে স্থিতি পায়।
কারও কারও মতে নৃত্য হতে নাটোর। একবার একটা সাপ ব্যাঙকে খেয়ে ফেলছিলো। ব্যাঙের কষ্ট আর সাপের কসরত দেখে কয়েকজন বালিকা খুশি মনে নৃত্য করছিলো। বালিকাদের এ নৃত্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন উৎসবে নৃত্য পরিবেশিত হতো। ক্রমশ এ নৃত্য বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে। একটি বিশেষ লোকালয়ে এ নৃত্য উপস্থাপনে দক্ষ বালিকাদের নিবাস ছিল। নৃত্যপটিয়সীদের নিবাসের জন্য এলাকাটির নাম হয় নাট্যপুর। যার অপভ্রংশ নাটোর। আবার অনেকে বলেন, এ এলাকায় এক সময় নাটা নামক এক প্রকার কাঁটাগুল্ম জন্মাতো। তদেও মতে, কাঁটাগুল্ম নাটা হতে এলাকার নাম হয় নাটার; যার অপভ্রংশ নাটোর। কেউ কেউ মনে করেন, নটিপাড়া হতে নাটোর। এখানে একটি নটিপাড়া ছিল। নটিপাড়া গ্রামটি রাজা ও জমিদারগণের আমোদ-ফুতির জন্য গড়ে তোলা হয়েছিলো। রাজা ও ধনীরা এখানে এসে নৃত্য, গান এবং অন্যান্য আমোদপ্রমোদে লিপ্ত থাকতো। কথিত হয়, এ নটিপাড়া হতে এলাকাটির নাম হয় নটিপাড়া বা নটিপুর। নটিপাড়া বা নটিপুর শব্দটি ক্রমশ পরিবর্তিত হয়ে নাটোর নামে স্থিতি পায়।
বাকি অংশ: শুদ্ধ বানান চর্চা লিংক/৩
মানিকগঞ্জ জেলার নামকরণ প্রবাদ/ চয়নিকা জাহান চৌধুরী
মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র, ধলেশ্বরী, শীতলক্ষ্যা,
ইছামতি, বুড়িগঙ্গা ও মৃতপ্রায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র বিধৌত মানিকগঞ্জ জেলার নামকরণ নিয়ে
একাধিক প্রবাদ ও কিংবদন্তি প্রচলিত রয়েছে। শহরটি প্রাচীন হলেও নামটি প্রাচীন নয়।
১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দ হতে মানিকগঞ্জ নামের পরিচয়। এরপূর্বে কোনো ইতিহাস, মানচিত্র,
নথিপত্র, পুঁথি কিংবা অন্য কোনো দলিল-দস্তাবেজে মানিকগঞ্জ নামের অস্তিত্ব পাওয়া যায়
না। সংগতকারণে এটি ১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দের কাছাকাছি কোনো সময়ে নামকরণ হয়েছে বলে মনে করা
হয়। যেহেতু তখন ইংরেজ আমল এবং মুসলমানদের চেয়ে হিন্দুরা প্রভাবশালী ছিল সেহেতু নামটির
সাথে মুসলমানের চেয়ে হিন্দু প্রভাব জড়িত থাকার সম্ভবনা বেশি।
জানা যায়, নবাব সিরাজউদৌল্লার ঘনিষ্ট সহচর
মানিক চাঁদ-এর নামানুসারে এলাকার নাম হয় মানিকগঞ্জ। নবাবের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করায়
তিনি ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির খুব প্রিয়পাত্র ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ত্রিশ বছর
ইংরেজদের নিকট নবাব দরবারের গোপন তথ্য সরবরাহ করেছিলেন।
পলাশীর যুদ্ধে নবাবের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করায় ইতিহাসে তিনি ঘৃন্য হয়ে আছেন। তবে ইংরেজদের
কাছে ছিলেন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। যখন এ নামকরণ করা হচ্ছিল তখন
মানিক চাঁদ জীবিত ছিলেন না। ১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে মহকুমা বিভক্ত করে নতুন প্রশাসনিক
বিভাগ করার সময় ইংরেজ অফিসারগণ কৃতজ্ঞতার নিদর্শনস্বরূপ মানিক চাঁদের নামানুসারে নতুন
মহকুমার নাম দেন মানিকগঞ্জ।
মানিকগঞ্জ নামকরণ সম্পর্কে দরবেশ নিয়েও
একটি প্রবাদ রয়েছে। যদিও এ প্রবাদটি কাল এবং ঘটনাপ্রবাহ বিবেচনায় যথার্থ হবার সম্ভবনা
ক্ষীণ। তবু পাঠকদের কৌতুহল মেটানোর জন্য উল্লেখ করা হলো। ঢাকার ধামরাইয়ে অবস্থিত একজন
দরবেশের নির্দেশে আঠার শতকের প্রথমার্ধে মানিক শাহ্ নামক এক দরবেশ সিঙ্গাইর উপজেলায়
আগমনপূর্বক একটি খানকাহ্ প্রতিষ্ঠা করে ইসলাম ধর্ম প্রচার শুরু করেন। কিছুদিন পর তিনি
খানকাহ্ ছেড়ে হরিরামপুর উপজেলার দরবেশ হায়দার শেখের মাজারে গমন করেন। সেখানে গিয়ে ইছামতি
নদীর তীরে অবস্থিত জনশূন্য একটি চরাভূমিতে খানকাহ্ প্রতিষ্ঠা করেন। বাকিং অংশ : মানিকগঞ্জ জেলার নামকরণ ও ঐতিহ্য
অতি প্রয়োজনীয় কয়েকটি লিংক: বিসিএস, প্রতিষ্ঠান, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, গবেষণা এবং শুদ্ধভাবে মাতৃভাষা শেখার জন্য অতি প্রয়োজনীয় কয়েকটি লিংক:
শুবাচ লিংক
নাটোর জেলার নামকরণ
চকরিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য
অতি প্রয়োজনীয় কয়েকটি লিংক: বিসিএস, প্রতিষ্ঠান, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, গবেষণা এবং শুদ্ধভাবে মাতৃভাষা শেখার জন্য অতি প্রয়োজনীয় কয়েকটি লিংক:
শুবাচ লিংক
নাটোর জেলার নামকরণ
চকরিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য
সূত্র : বাংলাদেশের
জেলা উপজেলা ও নদনদীর নামকারণ, ড. মোহাম্মদ আমীন।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)